logo
ঢাকাবুধবার , ২১ অক্টোবর ২০২০

বরগুনায় ১৪৯ টি পূজামন্ডপে চলছে দুর্গাপূজার আয়োজন

মাহমুদুল হাসান, বরগুনা প্রতিনিধি
অক্টোবর ২১, ২০২০ ৩:৫২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আর মাত্র একদিন বাকি। এরপরেই শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা। শেষ মূহূর্তে বরগুনায়
১৪৯ টি পূজামন্ডপে চলছে শিল্পীর শেষ আঁচর। নির্ভিঘ্নে দুর্গা পূজা উৎসব উদযাপনের জন্য উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ বিভাগ ইতিমধ্যেই প্রস্তুতিমূলক সভা করেছেন।

করোনাকালিন সময়ে অনুষ্ঠেয় দুর্গা পূজা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনেই উদযাপন করা হবে বলে জানালেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য সর্তকতা মেনেই পূজা মন্ডপে যাওয়া আসা করতে হবে। এবার উৎসব সীমিত করে পালিত হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজা।

সরেজমিন দেখা গেছে, অনেক মন্দিরেই প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষ হয়েছে। স্বল্পসংখ্যক মন্ডপে শেষ মূহুর্তে চলছে রং-তুলির শেষ আঁচর। এ বছর বরগুনা জেলায় ১৪৯ টি পূজামন্ডপে চলছে দুর্গাপূজার আয়োজন । যার মধ্যে বরগুনা সদরে ২২ টি, পাথরঘাটায় ৪৯ টি, বামনা ১৮ টি, আমতলী ১২ টি, বেতাগী ৩৫ টি ও তালতলী উপজেলায় ১৩ টি পূজামন্ডপে পুজা অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২২ অক্টোবর ষষ্ঠী তিথিতে শুরু হবে দুর্গাপূজা। শেষ হবে ২৬ অক্টোবর দশমী তিথিতে প্রতীমা বির্সজনের মধ্যে দিয়ে।

বরগুনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুখ রঞ্জন শীল বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বাত্বিক আচারের মাধ্যমে পূজার আয়োজন সীমাবদ্ধ রাখা হবে। এ সম্পর্কিত ২৬ টি নির্দেশনা মেনে আমাদের পূজা করতে হবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার তাদের সার্বিকভাবে সহযোগীতার পাশাপাশি আর্থিক ভাবেও সহযোগীতা করে আসছে। এবারেও সার্বিকভাবে সহযোগীতা করেছে। এবার করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি এবং সবার আরোগ্য কামনা করে মন্দিরে প্রার্থনা করা হবে।

বরগুনা জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন,শান্তিপূর্ণ ভাবে দুর্গাপূজা পালনের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রকার ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে সবাই দুর্গোৎসব পালন করবেন। একই সাথে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার উৎসব সীমিত থাকলেও আগামীতে আবার ব্যাপক উৎসাহ উদ্বীপনার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে।

পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসন পিপিএম বলেন, প্রতিটি পুজামন্ডপে শান্তি শৃংখলা রক্ষায় পুলিশসহ আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে। নজরদারী বাড়ানো হয়েছে। টহলে থাকবে আইন শৃংখলা বহিনী। কোন ধরণের বিশৃংখলা ঘটানোর চেষ্টা করা হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

দৈনিক বিবর্তন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।