1. [email protected] : dailybibartan :
  2. [email protected] : Boni Amin : Boni Amin
রাস্তা ছাড়াই পনেরো বছর দাঁড়িয়ে আছে চার সেতু
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি:
সারাদেশে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে সরাসরি যোগাযোগ করুন : 01714218173 email: [email protected]
শিরোনাম:
কঠোর ‘লকডাউনে’ বদলে গেছে খুলনা! পাথরঘাটায় হরিণের চামড়া-মাংস উদ্ধার সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য নিতে গেলে সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত বরগুনায় দুই ইউপি সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত-১০ সুমি’জ হট কেক’র বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির মামলা বরগুনা সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সংস্কৃতিসেবীদের মাঝে সহায়তা প্রদান তালতলীতে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে দেবীদ্বারে আলোর পাঠশালায় বই ও ব্যাগ বিতরণ দেবীদ্বারে ২০ মাস বয়সি আমির হামজার রহস্যজনক মৃত্যু জি, টি ডিগ্রী কলেজে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে আর্থিক অনুদান

রাস্তা ছাড়াই পনেরো বছর দাঁড়িয়ে আছে চার সেতু

জেলা প্রতিনিধি | দৈনিক বিবর্তন
  • নিউজ প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৯৩ বার
রাস্তা ছাড়াই পনেরো বছর
নিউজটি শেয়ার করুন..

বিশাল বিলের মাঝখানে চার চারটি সেতু। দাঁড়িয়ে আছে পনেরো বছর ধরে। সেতুগুলোর নেই কোনও সংযোগ সড়ক। তাই এগুলো কোন কাজেই আসছে না এলাকার মানুষের।

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের নড়াইল ইউনিয়নের শিবধরা বিল ও ধলিকুড়ি বিলের মাঝখান বরাবর ২০০৪-২০০৫ অর্থবছরে ইউএসএআইডি ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের অর্থায়নে নির্মান করা হয় এসব সেতু। এগুলোর একটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৩ ফুট। বাকি তিনটির প্রতিটিই ৪৫ ফুট করে।

স্থানীয়রা জানায়, নড়াইল ইউনিয়নের পূর্ব নড়াইল থেকে কাওয়ালিজান গ্রাম ও আশপাশের ৫/৬ গ্রামের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ সহজ করতে সেতুগুলো তৈরি করা হয়। কিন্তু গেলো পনেরো বছর ধরে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয়ের স্বাক্ষী হয়ে রয়েছে এগুলো।

ওয়ার্ল্ড ভিশন সেতুগুলো নির্মাণ করলেও এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও রাস্তা নির্মাণ করার কথা ছিল ইউনিয়ন পরিষদের। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ তা করেনি। পূর্ব নড়াইল গ্রামের বাসিন্দা শামসু মিয়া বলেন, ব্রিজ আছে রাস্তা নাই। এতে কার কোন দিক থেকে লাভ হয়েছে তা আমরা বুঝি। বর্ষার সময় পানির নিচে থাকে, শুকনো মৌসুমে মই ব্যবহার করতে হয়। বিপাকে পড়তে হয় যখন কোন অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা নুর আলম বলেন, আমার ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি চারটা ব্রিজ বিলের মাঝখানে এভাবে দাঁড়িয়ে আছে। প্রথমে আমরা মজা করতাম। এখন রাগ হয়। এত টাকা খরচ করে কেন ব্রিজগুলো বানিয়েছে তা আমাদের বোধে আসে না।

সেলিম মুরাদ নামে আরেকজন বলেন, দেড় থেকে দুই কিলোমিটার রাস্তার জন্য চারটি সেতু। তাও আবার ব্যবহার করবার জো নেই। চেয়ারম্যান মেম্বররাও যদি ১৫ বছরে একটু ব্যবস্থা নিত তাহলে এতদিনে রাস্তাটি সচল হয়ে যেত।

হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক সায়েম প্রকল্প পরিকল্পনায় গাফিলতির কথা স্বীকার করে বলেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন সেতুগুলো নির্মাণে নিয়ম ও ওয়াটার লেভেল মানেনি। যে কারণে ব্রিজগুলো বন্যার সময় তলিয়ে যায়। অনেকবার রাস্তা বড় করতে মাটি দিয়েছেন। কিন্তু বন্যার সময় আবার তা ভেঙে যায়। হাওর অঞ্চলে যেভাবে সাবমার্সিবল রাস্তা তৈরি করা হয়, সেভাবে এগুলো তৈরি করলেই এই রাস্তা টিকবে নতুবা নয়।

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, সেতুগুলো কারা তৈরি করেছে, তার কোনো নথি নেই তাদের কাছে। আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে ব্রিজগুলো মানুষের প্রয়োজনে আসবে, সেভাবেই আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।


নিউজটি শেয়ার করুন..
এ জাতীয় আরো সংবাদ..

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন